বাংলা একাদশ শ্রেণী SAQ কিউ সাজেশন

  1. • সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর : (মান-১)

১। পুণ্যবেদীর শূন্য’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
উ: কবি কাজি নজরুলের ‘দ্বীপান্তরের বন্দিনী’ নামাঙ্কিত কবিতায় পুণ্যবেদীর শূন্য বলতে স্বদেশভূমিকে বােঝানাে হয়েছে।

2। ‘দ্বীপান্তরের বন্দিনী’ কবিতায় ‘বাণীর শিশ- মহল বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? 
উ: বিদ্রোহী কবির কলমে প্রতিবাদের যে সুর শােনা যেত তারই প্রতিফলন পাওয়া যায় ‘দ্বীপান্তরের বন্দিনী’তে যেখানে শিশ
মহল বলতে কবি গভীর অব্যক্ত প্রতিবাদকে বুঝিয়েছেন।

৩। যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে কী হবে বলে কবি মনে করেন?
উ: যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত হয়ে নতুন দিনের সূচনা হবে বলে কবি মনে করেন।

৪। দেশ মায়ের পূজার জন্য কী কী উপাচার লাগবে বলে কবি মনে করেন?
উ: পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ দেশ মায়ের পূজার জন্য দেশ সেবার মন্ত্রে দীক্ষিত সন্তানদের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং আত্মদানকেই কবি প্রয়ােজনীয় উপাচার বলে মনে করেছেন।

৫। কবি পূজারীর কাছে কিসের সন্ধান করেছেন?
উ: কবি পূজারীর কাছে মুক্ত ভারতী’ তথা’ পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্ত স্বাধীন দেশের সন্ধান করেছেন।

৬। ‘বন্দী সত্য ভানিছে ধান’ — কথাটির অর্থ কী?
উ: ইংরেজ শাসনাধীনে শৃঙ্খলিত ভারতবর্ষে সত্য ছিল মূল্যহীন এমন কি সত্যের পথে থাকলেওকারারুদ্ধ হতে হত, উদ্ধৃত অংশে সেই কথাই বলা হয়েছে।

৭। কবি ভারতের বন্দি দশাকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উ: ‘দ্বীপান্তরের বন্দিনী’ শীর্ষক কবিতায় দেশমাতৃকার শঙ্খল পরিহিত রূপ উপলব্ধি করে কবি পৌরাণিক ঘটনার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন এবং বলেছেন ভারতমাতা সীতাদেবীর মতােই লঙ্কায় বন্দি হয়ে আছেন।

৮। বিদ্রোহী আখ্যা লাভ করল কারা?
উ: সাম্রাজ্যবাদী শাসকের অত্যাচারে দেশমাতা যখন নির্যাতিত তখন যারা সকল প্রকার বাধা-বিঘ্ন, ভয়কে উপেক্ষা করে
মুক্ত কণ্ঠে সােচ্চারে প্রতিবাদের বাণী উচ্চারিত করে তারাই বিদ্রোহী আখ্যা লাভ করে।

৯। “দ্বীপান্তরের বন্দিনী’ শীর্ষক কবিতায় ‘রক্ত সোঁদাল’ কথার অর্থ কী?
উ: ‘দ্বীপান্তরের বন্দিনী’ শীর্ষক কবিতায় ‘রক্ত সোঁদাল’ কথাটির অর্থ রক্তে সিক্ত বা রক্তের দ্বারা ভেজাননা।

১০। “শঙ্খরাব’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উ: শঙ্খরাব বলতে বােঝানাে হয়েছে বাক স্বাধীনতার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া। পরাধীন ভারতবর্ষে অত্যাচারিত ভারতবাসীর বাণী বন্দনার মেকি আয়ােজনকে বােঝানাে হয়েছে।

১১। কবি কাকে ধর্মরাজ বলেছেন?
উ: ন্যায়ের শাসককেই কবি ধর্মরাজ বলেছেন।

১২। “জীবন চুয়ানাে’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
উ: জীবন চুয়ানাে বলতে ইংরেজ শাসকের নির্মম শাসন ও শােষণকে বোেঝানাে হয়েছে।

১৩। “সিংহ’ এবং ব্যাঘ্র’ শব্দ দুটি কাদের লক্ষ্য করে কবি ব্যবহার করেছেন?
উ: পরাধীন ভারতবর্ষে দেশমাতৃকার শৃঙ্খলমােচনে ব্রতী, অকুতােভয় পরমসাহসী বিপ্লবীদের লক্ষ্য করে কবি আলােচ্য কবিতায় শব্দ দুটি ব্যবহার করেছেন।

১৪। কবি ‘রক্ষপুর’-এর ধ্বংস কামনা করেছেন কেন?
উ: আলােচ্য কবিতায় রক্ষপুর বলতে কবি সাম্রাজ্যবাদী শাসকের শাসনব্যবস্থাকে বুঝিয়েছেন, যে শাসন ব্যবস্থার অবলুপ্তি না ঘটলে ভারতবর্ষের মুক্তি ঘটবে না, তাই তিনি তার ধ্বংস কামনা করেছেন।

১৫। দীপান্তর বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উ: দীপান্তর বলতে সপ্তসিন্ধু তেরাে নদীর পারে অবস্থিত আন্দামানকে কবি বুঝিয়েছেন।

১৬। দেশমাতৃকাকে দীপান্তরিতা বলা হয়েছে কেন?’
উ: বিদেশি শাসকের কবল থেকে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার অভিপ্রায়ে যে সকল তরুণ প্রাণ বীরদর্পে এগিয়ে এসেছিলেন তাদের দীপান্তরে পাঠানাে হত বলেই, সেই প্রসঙ্গকে লক্ষ্য করে দেশমাতৃকাকে দীপান্তরিতা বলা হয়েছে।

১৭। ধর্মরাজ কীসের বার্তা বহন করে আনছেন? তার আগমনে কবি কী বাজাতে বলেছেন?
উ: দ্বীপান্তরের বন্দিনী, নামাঙ্কিত কবিতায় প্রতিবাদী কবি আশা করেন ধর্মরাজ যুগান্তরের বার্তা বহন করে আনছেন।
তাই দিন বদলের আকাঙ্ক্ষায় উৎসাহী কবি ধর্মরাজের আগমনে ঢাক ও শঙ্খ বাজাতে বলেছেন।

• সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :

১। তেলেনাপােতা যাবার সময় বড়াে রাস্তা থেকে নেমে কোথায় দাঁড়াতেই হবে?
উ: তেলেনাপােতা যাবার সময় বড়াে রাস্তা থেকে নেমে কোনাে এক জলার কাছে দাঁড়াতে হবে।

২। তেলেনাপােতায় যাওয়ার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল?
উ: তেলেনাপােতায় যাওয়ার আসল উদ্দেশ্য ছিল মাছ ধরা।

৩। নিরঞ্জন কে ছিল?
উ: যামিনীর মায়ের দূর সম্পর্কের এক বােনপাে ছিল নিরঞ্জন যার সাথে যামিনীর মা যামিনীর বিয়ের সম্পর্ক ঠিক করেছিল।

-৪। আমি জানতুম তুই না এসে পারবি না’ কে, কাকে বলেছে?
উ: যামিনীর মা গল্পকথককে নিরঞ্জন মনে করে এই কথাগুলি বুলেছে।

৫। প্রতীক্ষাও আপনাদের ব্যর্থ হবে না’ – কাদের, কোন প্রতীক্ষা ব্যর্থ হবে না?
উ: ‘তেলেনাপােতা আবিষ্কার’ নামক গল্পে লেখক ও তার বন্ধুদের প্রতীক্ষা ব্যর্থ হবে না। কারণ একটু পরেই তারা আবছা অন্ধকারে ধীর গতিতে একটি ক্ষীণ আলাে প্রজ্জ্বলিত সহ গরুর গাড়িকে এগিয়ে আসতে দেখবে।

৬। গােরুর গাড়িটি দেখে কথকের কী মনে হয়েছিল?
উ: গােরু এবং গােরুর গাড়িটিকে দেখে গল্পকথক এবং তার সঙ্গীদের মনে হয়েছিল পাতালের কোনাে বামনের দেশ থেকে যেন গাড়িটি এসেছিল।

৭। মশারা কীভাবে নবাগতদের অভিনন্দন জানাবে বলে কথক মনে করেন?
উ: ভাঙা লণ্ঠনের চিমনির আলাে ক্রমে ক্রমে নিভে আসলে মশার দল ভিড় করে আসে এবং অতিথিদের অভিনন্দন জানাননার জন্য ক্রমাগত হুল ফুটিয়ে চলে।

৮। তেলেনাপােতা আবিষ্কার’ গল্পে গল্পকথকের বাস করা ঘরটির রুষ্ঠ আত্মার অভিশাপ কীভাবে বর্ষিত হয়েছিল বসবাসকারীদের ওপর?
উ: একটু হাঁটাচলা করলেই ঘরের ছাদের দেওয়াল থেকে ভাঙা প্লাস্টার গল্পকথকের গায়ের ওপর বর্ষিত হচ্ছিল।

৯। তারপর হঠাৎ জলের শব্দে আপনার চমক ভাঙবে’ – চমক ভেঙে কী দেখবেন?
উ: চমক ভেঙে গল্প কথক দেখবেন স্থির জল কেঁপে উঠেছে। এবং বড়শির ফাতনা তার ফলে ধীরে ধীরে দুলছে।

১০। তবু মুখে ওরা রা নেই’ – কার কথা বলা হয়েছে? কোন প্রসঙ্গে কে বলেছে?
উঃ আলােচ্য অংশে যামিনীর কথা বলা হয়েছে। যামিনীর বৃদ্ধা অসুস্থ মা মনে করেন যে তিনি নানাভাবে যামিনীকে যন্ত্রণা দিয়ে থাকেন, কিন্তু যামিনী কখনােই তার মাকে তিরস্কার করে না। সেই প্রসঙ্গেই যামিনীর মা এই কথা বলেছেন।

১১। থাক না’ –কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
উ: ‘তেলেনাপােতা আবিষ্কার’ গল্পে গল্পকথক ও তার সাথীরা ফিরে আসার মুহূর্তে গােরুর গাড়িতে ওঠার সময়ে যামিনী
গল্পকথককে লক্ষ করে তার ছিপগুলি পড়ে থাকার কথা। বলে। যামিনীকে হয়ত কিছুটা আশ্বস্ত করেই গল্পকথক। ‘থাক না’ শব্দটি উচ্চারণ করে।

১২। মহানগরে ফিরে আসার পর তেলেনাপােতা সম্পর্কে লেখকের কী মনে হতে থাকে?
উ: মহানগরে ফিরে আসার পর লেখকের মনে তেলেনাপােতার স্মৃতি সুদূর অথচ অতি অন্তরঙ্গ একটি তারার মতাে উজ্জ্বল হয়ে আছে।

১৩। কিন্তু সে কথা ওকে বলবে কে? কোন কথা কাকে বলার কথা বলা হয়েছে?
উ: নিরঞ্জন যামিনীকে বিয়ে করবে না বলেই বিদেশ যাবার মিথ্যা কথা যামিনীর মাকে শুনিয়েছিল। নিরঞ্জন যে বহু আগেই বিয়ে করে সংসার পেতেছে সেই কথাটি যামিনীর
মাকে যে বলা যায়নি, সেই কথাই বলা হয়েছে।

১৪। বসে আছেন কেন? টান দিন। কে, কাকে, কিসে টান দেওয়ার কথা বলেছে?
উ: ‘তেলেনাপােতা আবিষ্কার’ নামক গল্পে কথক ও তার দুই বন্ধু তেলেনাপােতায় গিয়েছিল মাছ ধরার অভিপ্রায়ে। সেখানে কোনাে এক পুকুরে কথককে দীর্ঘক্ষণ ছিপ হাতে বসে থাকতে দেখে যামিনী কথককে ছিপে টান দেওয়ার কথা বলেছে।

১৫। এই অজগর পুরীর ভেতর বসে সেই আশায় দিন গুনছে। কে কিসের আশায় দিন গুনছে?
উ: যামিনীর মা আশায় দিন গুনছে।
যামিনীর মা যামিনীর বাল্য বয়সে তার দূর সম্পর্কের কোনাে এক বােনপাের সাথে যামিনীর বিবাহ স্থির করেন। সেই ছেলেটি বিদেশ থেকে চাকরী করে ফিরে আসার পরে যামিনীকে বিয়ে করবে। সেই আশাতেই বৃদ্ধা দিন গুনছে।

• সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :

মান-১
১। মানব সভ্যতার প্রথম পর্যায়ে কোন কোন লিপি পদ্ধতি প্রচলিত ছিল?
উ: মানব সভ্যতার প্রথম পর্যায়ে আলেখ্য চিত্রাঙ্কন এবং স্মারক চিত্রাঙ্কন পদ্ধতি – এই দুই প্রকার লিপি পদ্ধতির প্রচলন ছিল।

২। সিন্ধু লিপি কী ধরনের লিপি ছিল?
উ: সিন্ধু লিপি ছিল মূলত চিত্রলিপি।

৩। খরােষ্ঠী লিপির এরূপ নামকরণের কারণ কী?
উ: ‘খর’ অর্থাৎ ‘গর্দভ’ আর ‘ওষ্ঠ’ অর্থাৎ ‘ঠোঁট। খরােষ্ঠী। লিপির চিহ্নগুলি গাধার ঠোঁটের মতাে দেখতে বলে এর এ এরূপ নাম।

‘৪। ধ্বনিলিপি কাকে বলে?
উ:যে লিপিপদ্ধতিতে প্রতিটি রেখাচিত্র সেই ভাষায় ব্যবহৃত এক একটি একক ধ্বনির প্রতীক রূপ ব্যবহৃত হয়, তাকে বলে ধ্বনিলিপি

৫। ভাবলিপি বর্তমানে কোথায় প্রচলিত আছে?
উ: উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা এবং ওশিয়ানিয়া মহাদেশের কয়েকটি উপজাতির মধ্যে এখনওভাবলিপির প্রচলন আছে।

৬। সুমেরীয়দের মতে, কীলক লিপির আবিষ্কর্তা কে ছিলেন?
উ: সুমেরীয়দের মতে, কীলক লিপির আবিষ্কর্তা ছিলেন ‘নেবাে’ নামক দেবতা।

৭। পৃথিবীর যাবতীয় লিখন পদ্ধতিকে কটি ভাগে ভাগ করা যায়?
উ: পৃথিবীর যাবতীয় লিখন পদ্ধতিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা— PELNEMIC এবং CENEMIC।

৮। IPA-এর পুরাে নামটা কী?
উ: International Phonetic Alphabet…

৯। চিত্রিলিপি কী?
এ উ: কয়েকটি রেখার সাহায্যে কোনাে বস্তু বিষয় বা ঘটনার রূপকে প্রকাশ করা হলে তাকে চিত্রলিপি বলে।

১০। সেনিমিক লিপি বলতে কী বােঝ?’ …
উ: যে লিপিপদ্ধতির প্রতিটি চিহ্ন একটি ধ্বনির প্রতীক হিসাবে যেকোনাে শব্দের গঠনগত উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়,
তাই’ই সেনিমিক লিপি।

১১। প্লেনিমিক লিপি বলতে কী বােঝ?
উ: যে লিপিপদ্ধতির চিহ্নগুলির ভাষাতাত্ত্বিক অর্থ এবং ভাষাতাত্ত্বিক গঠন উভয়ই আছে তাকে বলে প্লেনিমিক লিপি।

RECENT POST

LATEST POST