দ্বাদশ শ্রেণী ইতিহাস সেরা 23 টি SAQ

দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস বিষয়

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর : প্রতিটির মান-১

১। আগষ্ট প্রস্তাব কী?
উ: ১৯৪০ খ্রিঃ ৮ আগষ্ট তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লিনলিথগাে ভারতীয় সম্পদ ব্যবহার করতে ও ভারতীয় নেতৃত্বকে খুসি করার জন্য যে প্রস্তাব পেশ করেছিলেন তা ” লিনলিথগাে প্রস্তাব নামে পরিচিত।

২। ক্রিপস প্রস্তাব কী?
উ: ১৯৪২ খ্রিঃ ব্রিটিশ মন্ত্রীসভার সদস্য স্ট্যাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে একটি মিশন ভারতে আসে এবং ভারতকে ও স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার লক্ষে যে প্রস্তাবসমূহ পেশ করেছিলেন তা ক্রিপস প্রস্তাব নামে পরিচিত।

৩। “ওয়াভেল পরিকল্পনা’ বলতে কী বােঝ?
উ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গান্ধি ও জিন্নার বৈঠক ব্যর্থ হলে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়াভেল ১৯৪৫ খ্রিঃ ১৪ জুন একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে অচলাবস্থার অবসানের জন্য একটি পরিকল্পনা ঘােষনা করেছিলেন,যা ওয়াভেল পরিকল্পনা’ নামে পরিচিত।

৪। ‘মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা’ কী?
উ: ভারত বিভাজন ছাড়া ভারতের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়— মাউন্টব্যাটেন এই বিষয় উপলব্ধি করে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের নেতাদের রাজি করিয়ে ভারত বিভাজনের যে পরিকল্পনা করেছিলেন তা ‘মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা’ নামে পরিচিত।

৫। ভারতের সংবিধানের খসড়া কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
উ: ডঃ বি. আর. আম্বেদকর ভারতীয় সংবিধানের খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন।

৬। ভারতের সংবিধান কবে গৃহীত ও কার্যকর হয়?
উ: ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের সংবিধান গৃহীত ও ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর হয়েছিল।

৭। রশিদ আলি দিবস’ কী?
উ: আজাদ হিন্দ বাহিনীর সেনাদের বিচারকে কেন্দ্র করে রশিদ আলিকে সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিলে তার প্রতিবাদে এবং রশিদ আলির মুক্তির দাবীতে ১৯৪৬ খ্রিঃ ১২ই ফেব্রুয়ারি কলকাতায় সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়, যা ‘রশিদ আলি দিবস’ নামে পরিচিত।

৮। মন্ত্রী মিশনের সদস্যদের নাম লেখ।
উ: স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস, এ. ভি. আলেকজাণ্ডার, পেথিক লরেন্স।

৯। সিমলা বৈঠক (১৯৪৫াকী)
উ: ভারতে ক্ষমতা হস্তান্তর ও সংবিধান রচনা সংক্রান্ত বিষয় বাস্তবে রুপায়িত করার উদ্দেশ্যে আলােচনার জন্য লর্ড ওয়াভেল ১৯৪৫ খ্রিঃ ২৫ জুন সিমলাতে একটি সর্বদলের বৈঠক ডেকেছিলেন। এটি সিমলা বৈঠক নামে পরিচিত।

১০। প্রত্যক্ষ সংগ্রাম কী?
উ: ১৯৪৬ খ্রিঃ ১২ আগষ্ট মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বে মুসলিম লিগ পৃথক পাকিস্তান রাষ্ট্রের দাবীতে যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন তা প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’ নামে পরিচিত।

১১। ভারতের স্বাধীনতা আইন ?হয় পাশ কবে
উ: মাউন্ট ব্যাটেনের প্রস্তাব অনুসারে ভারত বিভাজন কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ মেনে নিলে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৯৪৭ সালের ৪ জুলাই ভারত স্বাধীনতা আইন পাশ হয়।

১২। ‘তানাকা মেমােরিয়াল’ কী
উ: ১৯২৭ খ্রিঃ জাপানের প্রধানমন্ত্রী তানাকা পূর্ব এশিয়ার । সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে যুদ্ধনীতি গ্রহনের প্রয়ােজনীয়তা তুলে ধরে জাপানের সম্রাটের কাছে যে প্রতিবেদন তুলে ধরেছিলেন তা ‘তানাকা মেমােরিয়াল’ নামে পরিচিত।

১৩। ওয়াশিংটন চুক্তি কবে কাদের মধ্যে হয়েছিল?
উ: ১৯২১ খ্রিঃ আমেরিকা ও জাপানের মধ্যে ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৪। কবে ও কোন আইনের মাধ্যমে ভারত স্বাধীনতা লাভ করে?
উ: ১৯৪৭ খ্রিঃ ৪ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন পাশ হয়। এই আইন অনুসারে ভারত স্বাধীনতা পায়।

১৫। ভিয়েতমিন কী?
উ: ভিয়েতনামি মুক্তিযােদ্ধাদের নিয়ে হাে-চি-মিন ১৯৪১ খ্রিঃ যে বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন তা ভিয়েতমিন নামে পরিচিত।

১৬। ভিয়েতকং’ কী?
উ: পূর্বতন ভিয়েতমিন কমিউনিস্ট বিরােধী জাতীয়তাবাদী দল এবং নানা সংগঠন মিলে গঠিত হয় National Liberation Front. এটিকে ন-দিন-দিয়েম নামকরণ করেছিলেন ভিয়েতকং।

১৭। কবে, কোথায় প্রথম নৌ বিদ্রোহের সূচনা হয়?
উ: ১৯৪৬ খ্রিঃ বােম্বাই এর ‘তলােয়ার জাহাজে নৌ বিদ্রোহের সূচনা হয়।

১৮। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতের বড়লাট কে ছিলেন?
উ: লর্ড লিনলিথগাে ছিলেন ভারতের বড়লাট।

১৯। কেন সুভাষ চন্দ্র বসু জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন?
উ: ১৯৩৯ খ্রিঃ গান্ধিজি সমর্থিত প্রার্থীকে পরাজিত করে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন। কিন্তু গান্ধিজি সমর্থিত কংগ্রেস গােষ্টী অসহযােগিতা শুরু করলেসুভাষ বসু জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।

২০। স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্ক ছিলেন?
উ: ডঃ সুকর্ন ছিলেন প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মহম্মদ হাত্তা।

২১। রােম-বার্লিন-টোকিও’ অক্ষচুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
উ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাককালে ইতালি জার্মান ও জাপানের । মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

২২। জাপান কেন মাঞ্চুরিয়া আক্রমণ করে?
উ: জাপানের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পের জন্য কাঁচামাল সংগ্রহের প্রয়ােজনীয়তা, শিল্প পন্যের বিক্রির জন্য
বাজার এবং সামরিক শক্তির বৃদ্ধির তাগিদ থেকেই জাপান মাঞ্চুরিয়া দখল করেছিল।

২৩। সুভাষ বসু আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে কী নামকরণ করেন?
সুভাষ বসু আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে যথাক্রমে ‘শহীদ’ ও ‘স্বরাজ’ দ্বীপ নামে ভূষিত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *