দ্বাদশ শ্রেণী বাংলা সেরা 30 টি SAQ

Uncategorized


২। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : প্রতিটির মান-১

২.১ বাক্যতত্ত্বের কাজ কী?
উ: বাক্যতত্ত্ব বাক্যে পদের জোট বাঁধার সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করে। সেই সূত্র একদিকে যেমন কোনাে বিশেষ ভাষার বিশেষ চরিত্রকে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করে তেমনই অন্যদিকে ভাষার সর্বজনীন চরিত্র ব্যাখ্যা করবার সুযােগ দেয়।

২.২ একটি উদাহরণ দিয়ে যৌগিক বাক্য বুঝিয়ে দাও।
উ: সে আসবে এবং আমি যাব। যৌগিক বাক্য যে বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার সাহায্যে একাধিক বা দুটি স্বতন্ত্রবাক্য ‘ও’, ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা, ‘নতুবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

২.৩ জটিল বাক্য কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উ: যে বাক্যে কার্য-কারণ সূত্রে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ড বাক্য যদি পরস্পর সম্বন্ধ গ্রথিত হয়ে থাকে তাহলে সেই বাক্যকে জটিল বাক্য বলে। জটিল বাক্য :যদি তুমি আসাে তাহলে আমি যাব।

২.৪ অর্থগত দিক থেকে বাংলা বাক্যকে মূল কটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
উ: অর্থগত দিক থেকে বাংলা বাক্যের মূল চারটি শ্রেণি— ক) বিবৃতি, খ) প্রশ্নবাচক, গ) অনুজ্ঞাবাচক, ঘ) বিস্ময়বাচক

২.৫ ‘লাঙ’ কাকে বলে?
উ: যে সাধারণ ভাষাজ্ঞান ভাষার ধ্বনি ও অর্থের মধ্যে সংগতি রেখে একজন মানুষকে তার ভাষা শিখে নিতে সাহায্য করে, তাকে বলে ‘লাঙ।

২.৬ পারােল কাকে বলে?
উ: সাধারণ ভাষাজ্ঞানকে যেভাবে নিয়ম মেনে একটা ভাষা কৌমের প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা মানুষ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় পারােল।

২.৭ “লাঙ’ ও ‘পারােল’ এর ধারণার উদ্ভাবক কোন বিজ্ঞানী?
উ: জেনিভা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফের্দিনী দ্য সােস্যুর (১৮৫৭-১৯১৩) লাঙ’ ও ‘পারােল ধারণার উদ্ভাবক।

২.৮ ‘কমপিটেন্স ও পারফরম্যান্স’ ধারণার উদ্ভাবক কে?
উ: ‘কমপিটেন্স ও পারফরম্যান্স’ ধারণার উদ্ভাবক হলেন নােয়াম চমস্কি।

২.৯ ল্যাড (LAD) কাকে বলে?
উ: নােয়াম চমস্কির মতে, মানুষের মাথায় একটা ভাষা প্রত্যঙ্গ রয়েছে যার নাম ‘ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজিশন ডিভাইস’ (LAD)। ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকুইজিশন ডিভাইস যা মানুষের ভাষা বলবার সহজাত ক্ষমতাকে উসকে দেয়, সেটাই সংক্ষেপে LADI

২.১০ অব্যবহিত উপাদান কাকে বলে?
উ: বাক্যে অবস্থিত ঠিক আগে বা ঠিক পরে যে পদ বা পদগুচ্ছ থাকে, তাকে বলে অব্যবহিত উপাদান।

২.১১ বাক্যতত্ত্বের আলােচনায় বাক্যের অব্যবহিত উপাদান বিশ্লেষণের কথা প্রথম বলেন কোন ভাষাবিজ্ঞানী?
উ: বাক্যতত্ত্বের আলােচনায় বাক্যের অব্যবহিত উপাদান বিশ্লেষণের কথা প্রথম বলেন ভাষাবিজ্ঞানী লেওনার্দ ব্লুমফিল্ড।

২.১২ বাক্যতত্ত্বের আলােচনায় কয় প্রকার জোটের কথা বলা হয়েছে?
উ: বাক্যে কোনাে পদ একা থাকতে পারে না। জোট বেঁধে থাকে বাক্যতত্ত্বের আলােচনায় বাক্য মধ্যস্থিত পদের জোট বাঁধার প্রক্রিয়া চার প্রকার। এগুলি হল – ক) বিশেষ্য জোট বা বিশেষ গুচ্ছ, খ) অনুসর্গ বা পরসর্গজোট বা গুচ্ছ। গ) ক্রিয়া জোট বা ক্রিয়াগুচ্ছ। ঘ) ক্রিয়া-বিশেষণ জোট।

২.১৩ অন্তর্মুখী সংগঠন কত প্রকার ও কী কী?
উ: অন্তর্মুখী সংগঠন দু’প্রকার – ক) যৌগিক বা সাব অর্ডিনেট খ) অধীনস্থ বা কো অর্ডিনেট।

২.১৪ অধীনস্থ অন্তর্মুখী সংগঠন কাকে বলে?
উ: যে পদ জোটে একটা মাত্র মাথা তার বর্ধকের সঙ্গে থাকে তাকে বলে অধীনস্থ অন্তর্মুখী সংগঠন। যেমন : মােটা গোঁফওয়ালা নেতা।

২.১৫ যৌগিক অন্তর্মুখী সংগঠন কাকে বলে?
উ: যে পদজোটে একাধিক মাথা তার বর্ধকসহ থাকে, তাকে বলে যৌগিক অন্তর্মুখী সংগঠন।

২.১৬ অব্যবহিত উপাদান বিভাজনের প্রয়ােজনীয় নীতিগুলি কী কী?
উ: অব্যবহিত উপাদান বিভাজনের প্রয়ােজনীয় তিনটি নীতি হল – ক) অভ্যন্তরীণ ঐক্য খ) অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্য, গ) স্বাধীনতা।

২.১৭ অব্যবহিত উপাদান চিহ্নিত করার জন্য কী প্রয়ােজন?
উ: অব্যবহিত উপাদান চিহ্নিত করার জন্য জোটের মধ্যে ওই পদগত ঐক্য থাকা প্রয়ােজন।’

২.১৮ অব্যবহিত উপাদান বিশ্লেষণের সীমাবদ্ধতা কী?
উ: দ্ব্যর্থক বাক্যকে বিশ্লেষণ করতে অপারগ এই বিশ্লেষণ পন্থা।

২.১৯ পদবর্গ কী?
উ: একটা বাক্যকে অব্যবহিত উপাদানের সর্বশেষ পর্যায়ে ভাঙলে যে পদ পাওয়া যায়, সেই পদ এর ব্যাকরণগত পরিচয়কেই বলে পদবর্গ।

২.২০ সংবর্তন কাকে বলে?
উ: যেসব প্রক্রিয়া বাক্যের চেহারা বদলে দেয়, সেই সমস্ত প্রক্রিয়াগুলিকে বলে সংবর্তন।

২.২১ ‘সঞ্জননী ব্যাকরণ’ কাকে বলে?
উ: সমস্ত বাক্য কীভাবে সঞ্জাত হয়, তার সংবাদ যে ব্যাকরণ দেয়, তাকে বলা হয় ‘সঞ্জননী ব্যাকরণ।

২.২২ ‘সঞ্জননী ব্যাকরণ’-এর আগে ‘সংবর্তনী’ শব্দ জোড়া হয় কেন?
উ: চমস্কি প্রবর্তিত গবেষণারীতিতে সমস্ত বাক্য সঞ্জননের জন সংবর্তনকেও কাজে লাগানাে হয়, এ কথা জানাতে অথবা জোর দিয়ে বলবার জন্য ‘সঞ্জননী ব্যাকরণ’-এর আগে ‘সংবর্তনী’ কথাটা জোড়া হয়।

২.২৩ বাহ্যিক সূত্রের কয়টি অংশ ও কী কী?
উ: বাহ্যিক সূত্রের দুটি অংশ। একটি পদের জোট বিষয়ক সূত্র অন্যটি সংবর্তনের সূত্র।

২.২৪ সাধারণভাবে বাক্য গঠনের কয়টি স্তর?
উ: সাধারণভাবে বাক্য গঠনের তিনটি স্তর বাক্য, উপবাক্য, পদগুচ্ছ।

২.২৫ নােয়াম চমস্কির মতে, বাক্য গঠনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর কী কী?
উ: নােয়াম চমস্কির মতে, বাক্য গঠনের দুটি
গুরুত্বপূর্ণ স্তর হল—ক) অপােগঠন, খ) অধিগঠন।

২.২৬ বাক্যতত্ত্বের প্রধান আলােচ্য বিষয় কী কী?
উ: আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান মতে বাক্যতত্ত্বের প্রধান আলােচ্য বিষয় হল – ক) বাক্যের গঠন, খ) বাক্যের উপাদান।

২.২৭ অনুসর্গ জোট বা পসর্গ জোট কী?.
উ: বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পর অনুসর্গ বা পরসর্গ। বসে অনুসর্গ বা পরসর্গজোট, তৈরি হয়। এই জোটে শাসনক্ষমতা থাকে পরসর্গের হাতে।

২.২৮ ক্রিয়াজোট কীভাবে তৈরি হয়?
উ: বাক্যের একপদী বা বহুপদী সমাপিকা ক্রিয়াকে নিয়ে যে জোট তৈরি হয় তাকে ক্রিয়াজোট বলে। ক্রিয়া জো সাধারণত বিশেষ্যজোটের পরে অবস্থান করে। যেমন: রমা খায়। এটি বিশেষ্য জোট পরবর্তী ক্রিয়াজোট নিদর্শন।

২.২৯ শুদ্ধ ও পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের শর্ত কটি ও কী কী?
উ: শুদ্ধ ও পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের শর্ত তিনটি। যথা – এ আকাঙ্ক্ষা, যােগ্যতা, আসক্তি।

২.৩০ বাক্যবিধির প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।
উ: বাক্যবিধির প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য হল – ক) বাক্যের পদবিন্যাস বা শব্দ সাজাবার নিয়ম, খ) প্রয়ােজনমতাে পদের রূপ পরিবর্তন করা।

আরো বিষয়বস্তু জানার জন্য ওয়েবসাইটটা ভালো করে দেখুন , wbanswer.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *